মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে দেশী গাভী থেকে উন্নত জাতের বাচ্চা জন্ম দেওয়ার কাজ করা । গাভীর দুধ বৃদ্ধিকরনের জণ্য জনসাধারনকে পরামশ দেওয়া । তাহাছাড়া গরু, মহিষ,ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, হাস মুরগী চিকিৎসা করা এবং পশুর  বিভিন্ন প্রকার রোগবালাই থেকে রক্ষার জন্য জন সাধারনকে  সচেন করে তোলা ।

কৃত্রিম প্রজনন কি?

গাভী গরম হলে বা ডাকে আসলে ষাঁড় ছাড়া কৃত্রিম ভাবে গাভীর জরায়ুতে উন্নত জাতের ষাঁড়ের বীজ দেওয়াই কৃত্রিম প্রজনন।

কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা ঃ
উন্নত জাতের ষাঁড়ের বীজ দিয়ে পাল দিয়ে দ্রæত জাত উন্নয়ন করা যায়।
সঠিক সময়ে গাভীকে পাল দেয়া যায়।
পাল দেওয়ার জন্য বাড়ীতে ষাঁড় রাখার দরকার হয় না বা অন্যের ষাঁড়ের কাছে গাভী নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা থাকেনা।
উন্নত বীজ থেকে উন্নত দো-আঁশলা বাছুর পাওয়া যায়।
বাছুর বকনা হলে দেশী বকনার আগে বয়ঃপ্রাপ্ত হয় এবং তা থেকে ১০ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত দুধ পাওয়া যায় এবং ষাঁড় বাছুর অল্প সময়ে আকারে বড় হয়, ওজন বৃদ্ধি পায় এবং মাংস বেশী পাওয়া যায়।
গাভী যৌন রোগে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।
ইচ্ছা করলে প্রজননকারীকে খামারে বা বাড়িতে ডেকে এনে গাভীকে পাল দেওয়া যায়। বার বার পাল দিয়ে গাভী গর্ভবতী না হলে তার কারণ জেনে প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মনে রাখবেন ঃ
সঠিক সময়ে গাভীকে/বকনাকে পাল দিতে হবে।
গাভী গরম বা ডাকে আসার ১২ থেকে ১৮ ঘন্টার মধ্যে পাল দিতে হবে।
কৃত্রিম প্রজনন গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন এর বৈজ্ঞানিক উপায়।
কৃত্রিম প্রজননের কৌশল অবলম্বন করে অনেকেই দুগ্ধ খামার প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ সুযোগ আপনিও গ্রহণ করুন।
গর্ভাবস্থায় এবং বাচ্চা প্রসবের পর গাভী ও বাছুরের বিশেষ যতœ নিন।

১. কম সময়ে গরুর জাত উন্নত করা।

২. অধিক কর্মসংস্থানের সুবিধা।

৩. দুধ ও মাংসের ঘাটতি পুরন করা।

৪. আমিষ খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা

১. একটি ষাঁড় থেকে প্রতিবারের সংগৃহিত বীর্য প্রক্রিয়াজাত করে ৩০০-৪০০টি গাভীকে প্রজনন করা যায়।

২. গাভীর গর্ভধারনের হার বৃদ্ধি পায়।

৩. বেশি ষাঁড় পোষার দরকার হয়না,ফলে ব্যয় হ্রাস পায়।

৪. ভিন্ন ভিন্ন জাত বা প্রজাতির মধ্যে প্রজনন করে উন্নত জাত তৈরী করা যায়।

৫. উন্নত জাতের ষাঁড়ের বীর্য ব্যবহার করে ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

কৃত্রিম প্রজননের অসুবিধা

১. দক্ষ লোক দরকার হয়।

২. সুক্ষ ভাবে গরমের সময় নির্ণয় করতে হয়।

৩.ঠিকমত ষাঁড়ের বীর্য বাছাই নাহলে কৃত্রিম প্রজননের উদেশ্য ব্যহত হয়।

৪. গরম গাভী সনাক্ত কার কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রজননে গাভীর উপযুক্ত বয়স

১. দেশী জাতের বকনা প্রথম প্রজননের উপযুক্ত হয় ২-২.৫ বছর বয়সে।

২. উন্নত সংকর জাতের বকনা প্রথম প্রজননের উপযুক্ত হয় ১.৫-২ বছর বয়সে।

গাভী গরম হওয়া বা ঋতুকালের লক্ষন।

১.গাভীর অস্থিরতা বাড়ে এবং গাভী ঘন ঘন ডাকে।

২. ঘন ঘন প্রস্রাব করে এব গাভীর দুথ কমে যায়।

পশু গর্ভবতী হওয়ার লক্ষন

১. ঋতু চক্র বন্ধ হয়ে যায়।

২. গাভী আর ডাকে আসে না বা গরম হয়না

সরকারী এ.আই

মোঃ শাহজাহান সিরাজ স্বপন

মোবাঃ ০১৭২১৬৯৮৫৭৮

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :
Facebook Twitter